হাদিকে হত্যার নির্দেশদাতা কে এই বাপ্পী?
নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:২৪
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। হত্যার নির্দেশদাতা ছিলেন তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মিন্টো রোডের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর। তার নির্দেশেই শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণেই হাদিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
ডিবি প্রধান আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফয়সাল করিম মাসুদসহ মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। অভিযুক্তদের মধ্যে ১২ জন গ্রেপ্তার এবং পাঁচজন পলাতক রয়েছেন।
অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ভিডিওবার্তা প্রসঙ্গে শফিকুল ইসলাম বলেন, কেউ ভিডিওবার্তা দিতেই পারে, তবে তদন্তে তার বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা হাদির মাথায় গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তিন দিন পর, ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ফয়সাল করিম মাসুদকে আসামি করে পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।