রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২

পাকিস্তানে পালিত হলো মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:৫৫

সংগৃহীত

ইসলামাবাদ–এ অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন ইসলামাবাদ–এ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়। তথ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কালোব্যাজ ধারণ করেন এবং জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে অর্ধনমিত রাখা হয়। দূতালয় প্রাঙ্গণে নির্মিত অস্থায়ী শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বাণী পাঠ, ভিডিওচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, বিশেষ মোনাজাত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুরো প্রাঙ্গণ ব্যানার, বাংলা বর্ণমালা ও ভাষা দিবসের পোস্টারে সজ্জিত করা হয়।

শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের লক্ষ্যে নির্মিত অস্থায়ী শহিদ মিনারে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিশুদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই সমবেত কণ্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। পাশাপাশি ইউনেস্কো–এর ৪৩তম সাধারণ সম্মেলনের সভাপতি খোন্দকার এম তালহার একটি ভিডিও বার্তাও প্রদর্শন করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনে শহিদদের প্রতিও বিশেষ শ্রদ্ধা জানান।

তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত্তি রচিত হয়েছিল।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top