বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪:২৩

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ এক যুগ পর অনুষ্ঠিত অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন।

এবারের পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেড মিলিয়ে মোট ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে গিয়ে বা মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে ফল জানতে পারবেন। মেসেজের মাধ্যমে ফল জানার জন্য বোর্ডের নাম, রোল নম্বর ও সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠানো যাবে।

ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির, এবং ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।

এ বছর দেশে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষার জন্য ৬১১টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং ২৮ ডিসেম্বর থেকে তিন দিনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনে বাংলা, দ্বিতীয় দিনে ইংরেজি এবং তৃতীয় দিনে গণিতের পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর মৃত্যুর কারণে বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা ৩১ ডিসেম্বর স্থগিত করা হয় এবং পরে ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।

ফল প্রদানের ক্ষেত্রে বোর্ডভিত্তিক আনুপাতিক হার এবং উপজেলা পর্যায়ে নির্ধারিত কোটার ভিত্তিতে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। ঢাকা বোর্ডে মোট ৮৭ হাজার ৯৪৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিলেন, এদের মধ্যে ৮০ হাজার ২১৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর মধ্যে ১০ হাজার ৩০ জন সব বিষয়ে অংশগ্রহণ করেননি।

ঢাকা বোর্ডের পর সর্বোচ্চ পরীক্ষার্থী ছিলেন রাজশাহী বোর্ডে ৪৩ হাজার ৬৬০ জন। কুমিল্লা ও দিনাজপুর বোর্ডে যথাক্রমে ৪০ হাজার ২১৯ ও ৪০ হাজার ২৩১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। যশোর বোর্ডে ৩৮ হাজার ৬৭৬ জন এবং চট্টগ্রাম বোর্ডে ২৯ হাজার ৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। নতুন বোর্ডগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহে ২৩ হাজার ২০০ জন এবং সিলেটে ২৩ হাজার ২২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী ছিল বরিশাল বোর্ডে, যেখানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ হাজার ৬২৯।

এনএফ৭১/একে



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top