রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২

গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে ১১ দলের হুঁশিয়ারি, না হলে রাজপথে আন্দোলন

রাজনীতি ডেস্ক | প্রকাশিত: ৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১০

ছবি: সংগৃহীত

সময়ক্ষেপণ না করে জাতীয় সংসদের মাধ্যমেই ‘জুলাই সনদ’ ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। অন্যথায় রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে তা বাস্তবায়নের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জোটের নেতারা।

শনিবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল-পূর্ব সমাবেশে এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের ফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর এটিই সংসদের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় ঐক্যের প্রথম রাজপথের কর্মসূচি।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেন, গণভোট অস্বীকার করা মানে ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অস্বীকার করা। তিনি বলেন, “যা সংসদে সমাধানযোগ্য, তা সংসদেই সমাধান করতে হবে। সংসদের বিষয় রাজপথে এলে পরিস্থিতি সুখকর হবে না।”

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি ‘না’ ভোটের পক্ষে গোপনে প্রচার চালিয়েছে, অথচ পরে ক্ষমতায় গিয়ে গণভোটের রায় অস্বীকার করছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও গণভোটের পক্ষে থাকা ৭০ শতাংশ মানুষ রাজপথে রয়েছে। তিনি গণভোটের রায় কার্যকর এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, বিএনপি এত দ্রুত গণভোট ও ‘জুলাই সনদ’ থেকে সরে আসবে, তা তাদের কল্পনায়ও ছিল না।

এর আগে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রণীত ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট অধ্যাদেশসহ চারটি বাতিল এবং ১৬টি উত্থাপন না করার সুপারিশ করে। এর প্রতিবাদেই এই বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top