খামেনিকে হত্যাসহ ইরানে ব্যাপক হামলার ছক ট্রাম্পের
আন্তজাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪:০১
নতুন করে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার তারিখ ঠিক হলেও দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা কাটেনি। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুযায়ী পারমাণবিক ইস্যুতে চুক্তি না মানে, তবে তেহরানে হামলা অনিবার্য।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার উপদেষ্টাদের জানিয়েছেন যে, কূটনৈতিক বা প্রাথমিক ছোট আকারের হামলার পরও যদি ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগে অস্বীকার করে, তবে তিনি আরও বড় হামলার পরিকল্পনা ভাবছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আগামী মাসগুলোতে ট্রাম্প ইরানে বড় আকারের সামরিক অভিযান চালাতে পারেন, যার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে ক্ষমতা থেকে সরানো।
আগামী বৃহস্পতিবার জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে তৃতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এটি সামরিক সংঘাত এড়াতে শেষ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যদি আলোচনায় কোনো ফল না আসে, তাহলে ইরানে মার্কিন বাহিনী হামলার হুমকি বাড়িয়ে চলেছেন ট্রাম্প।
গত বুধবার হোয়াইট হাউজের সিচুয়েশন রুমে ইরানে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন: ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ হোয়াইট হাউজের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস
যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি জোরদার করেছে। ট্রাম্প ইরানের শর্ত মানার আগে প্রাথমিক ছোট হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। এর পরও যদি ইরান নত না হয়, তবে বছরের শেষের দিকে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানায়, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত না মানলে খামেনি, তার ছেলে মোজতাবা খামেনিসহ ধর্মীয় নেতাদের হত্যার পরিকল্পনাও হতে পারে।
ইরানও সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল অবস্থায় রয়েছে, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করছে।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।