বৃহঃস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

ইবিতে শিক্ষিকা হত্যা: বদলির ক্ষোভে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্তের আত্মহত্যার চেষ্টা

ইবি প্রতিনিধি: | প্রকাশিত: ৫ মার্চ ২০২৬, ১৪:১৬

ছবি: সংগৃহীত

ইসলামিক ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-সমাজ কল্যাণ লাভ ও সহকারী শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজের কক্ষে কুপিয়েছে ফজলুর রহমান উত্তরাধিকারী এক ভূমিকা। অন্য ভিডিও বদলীর জেরে ব্যক্তিগত ক্ষোভ দেওয়া

(৪ মার্চ) প্রতিবাদে আন্দোলন সংগ্রামের পক্ষে কক্ষে এ নৃশংস ঘোষণা। পরযুক্ত অভি ফজলুর রহমান নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বর্তমানে তিনি ঔষধ চিকিৎসাহীন। ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে আসন হয়েছে।

ক্যাপাস তথ্য জানা গেছে, শিক্ষকতাকারী রাধা আগে সমাজকল্যাণে ফজলুর রহমান ছিলেন। অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে তাকে তিন-চারবার সতর্ক করা হয়। কিন্তু পরিবর্তন না আসায় বিভাগীয় কলেজে শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান উন্নয়ন করেন।

বদলি নিতে না পাল্টা ফজলুর রহমানের পাসকর্তৃক উত্তরের অনুরোধ করেন। কিন্তু বিভাগীয় পার্টি রাজ রাজি না সেই ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে তিনি তাকন্ড ঘটাচ্ছে বলে ঘোষণা করা হচ্ছে।

সমালোচনার বর্ণনা দিয়ে ভবনের দায়িত্বরত এক সদস্য বলেন, “আমি তিন-চারবার ‘বাঁচাও বাঁচাও’ শব্দ শুনতে পাই। বন্ধ। বারবার খোলার কথা বলতেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়। পরে একজন চেয়ারে বর্ণনা করছি আমি দিয়ে ব্যাখ্যা করছি। তারা আমরা জনগণের নিয়ন্ত্রণের বাইরের সাহায্যে ম্যাডাম মেঝেতে উপুড় আপনি পড়ে থাকতে পারেন এবং নিজের গলায় ছুরি বসিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছেন৷

খবর পেয়ে প্রেক্ট্রিয়াল বডি ও পুলিশ প্রশাসন নিয়োগকর্তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চেষ্টা করে।

যোগ করা প্রক্টর শাহিনুজ্জামান বলেন, “পুলিশ পুলিশকে নিয়ে আমরা উলেখ করতে গিয়ে আত্মকে রক্তাক্ত করি।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা জানান,
“খবর পেয়ে আমরা পরীক্ষা করেছিলাম অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসাধীন বৈঠক।

কুইয়া সদর স্থানীয় আবাসিক পাকিস্তান জানান, “ইমাম হোসেন রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনার কারণে তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। পাওয়া গেছে।

শেষ তথ্যে, শিক্ষিকার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গল রাখা হয়েছে।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top