শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২

চট্টগ্রামে বসন্তকে বরণ, উৎসবের আয়োজন করে বোধন

জোবায়ের হোসেন | প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৮

ছবি: সংগৃহীত
 শীতকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানিয়ে ভালোবাসার দিনে ফাল্গুনের রঙে রঙিন হয়ে উঠল বন্দরনগরী। 
 
পহেলা ফাল্গুন শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর শহীদ ওয়াসিম পার্ক-এ বসন্ত উৎসবের আয়োজন করে দেশের পুরোধা সংগঠন বোধন আবৃত্তি পরিষদ, চট্টগ্রাম। “বসন্ত উৎসব–১৪৩২” শিরোনামের এ আয়োজনে দিনভর সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, ঢোলবাদন, কথামালা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় মুখর ছিল পুরো প্রাঙ্গণ।
 
সকাল ৯টায় ভায়োলিনিস্ট চিটাগাং-এর যন্ত্রসংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় উৎসব। বসন্তের আবহে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যরূপ, সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ, দ্যা স্কুল অব ক্লাসিক্যাল অ্যান্ড ফোক ডান্স, নৃত্য নিকেতন ও মাধুরী ডান্স একাডেমির শিল্পীরা। গানে গানে বসন্তকে স্বাগত জানায় সুর পঞ্চম, আর কে মিউজিক ও বাগেশ্বরী। একক সংগীতে অংশ নেন কেশব জীপসী, ঋষু তালুকদার, চন্দ্রিমা ভৌমিক রাত্রি, কান্তা দে, সুমিতা সরকার, রিনা দাশ ও মনি আচার্য্য। তবলা লহড়ায় ছিলেন উঠান সংগীত বিদ্যালয়ের শিল্পীরা।
 
আবৃত্তিতে অংশ নেন কংকন দাশ, মিশফাক রাসেল ও দেবাশীষ রুদ্র। ঢোলবাদনে পরিবেশনা করেন দীপক ও তার দল। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যভাগে অনুষ্ঠিত হয় ‘বসন্তকথন’ পর্ব। 
 
এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বোধনের সহ-সভাপতি সুবর্ণা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সোহেল ও অর্থ সম্পাদক অনুপম শীল।
 
বক্তারা বলেন, মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও শোষণহীন সমাজ গঠনে বাঙালির উৎসব-পার্বণের গুরুত্ব অপরিসীম। সারা বছরের বঞ্চনা ও টানাপোড়েনের গ্লানি মুছে দিতে বসন্তের এ আয়োজন অনন্য ভূমিকা রাখে। তারা ভাষা আন্দোলনের চেতনা স্মরণ করে বলেন, ফাগুনের রক্তিম স্মৃতি বাঙালির আত্মমর্যাদার প্রতীক।
অনুষ্ঠানে বোধন আবৃত্তি পরিষদের শিল্পীরা একক ও দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন। পুরো অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন গৌতম চৌধুরী, পল্লব গুপ্ত, পলি ঘোষ, শ্রেয়সী স্রোতস্বীনি ও ঋত্বিকা নন্দী। দিনব্যাপী আয়োজনে শেষ হয় বর্ণাঢ্য বসন্ত বরণ শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে।


বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top