বৃহঃস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১

আদি নবান্নে সাংস্কৃতিক উৎসবে মুখর হলো টিএসসির পায়রা চত্বর

রায়হান রাজীব | প্রকাশিত: ১৭ নভেম্বর ২০২৪, ১২:৩১

ছবি: সংগৃহীত

বাংলার আদি নববর্ষ (পহেলা অগ্রহায়ণ) উদযাপনে বিপ্লবী সাংস্কৃতিক ঐক্যের আয়োজনে সাংস্কৃতিক উৎসব, র‍্যালি ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি পায়রা চত্বরে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (১৬ নভেম্বর) বিকাল ৩ টায় বর্ণাঢ্য শোভা যাত্রার মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক উৎসবের শুভ উদ্ভোধন ঘোষণা করেন দেশবরেণ্য কবি আবদুল হাই শিকদার।

অগ্রহায়ণ এলেই নতুন ধানের ঘ্রাণে মেতে ওঠে কৃষক-কৃষানীর আঙিনা। আদি বাংলার কৃষি সভ্যতার রীতি ধরেই নতুন চালের পিঠাপুলীর ধুম, নবান্ন উৎসবে আনন্দের ঢেউ পড়ে যায় গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। বাঙালী সংস্কৃতির সবচেয়ে আদি ঐতিহ্যবাহী এ উৎসবের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এবং নতুন প্রজন্মকে এ ইতিহাসের সাথে পরিচিত করাতে এ আয়োজন করা হয়। এই আনন্দ কৃষকের একার নয়, এই আনন্দ সবার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল হাই শিকদার বলেন, ৫ আগস্ট যে স্বাধীনতা অর্জন করেছি তা অর্থবহ করতে হবে সংস্কৃতি দিয়ে। হাফ ডান স্বাধীনতা থেকে আমরা পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা পেয়েছি। সংস্কৃতিকে মোকাবেলা করতে হবে সংস্কৃতি দিয়ে, নাটককে মোকাবেলা করতে হবে নাটক দিয়ে। আমরা যদি জাতীয় সংহতিকে সমৃদ্ধ রাখতে পারি তাহলে আমাদের কপাল সিকিম এর মতো হবে না।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে পাঠ্য পুস্তকে বিপ্লবের স্পিরিট তুলে ধরতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আবৃত্তিশিল্পী ও গবেষক, নাসিম আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. শহীদুল জাহীদ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী সাংস্কৃতিক ঐক্যের নির্বাহী সদস্য এস এম বিপাশ আনোয়ার, সভাপতিত্ব করেন বিপ্লবী সাংস্কৃতিক ঐক্যের আহবায়ক মিন্ময় মিজান।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পর্বে আবৃত্তি, নৃত্য, সংঙ্গীত, নাটক, যাদু প্রদর্শনি, পালাগান, পুথিঁপাঠ ও লালনগীতি পরিবেশন করেন দেশবরেণ্য শিল্পীরা এবং বিভিন্ন সংগঠন তাদের পরিবেশনা উপস্থাপন করেছে। নবান্ন মেলা স্টলে, পিঠাপুলি, বাহারি পোশাক, রঙিন সজ্জায় বাঁশির ধ্বনি এবং দর্শকদের অংশগ্রহণে পহেলা অগ্রহায়ণে মুখর হয়ে উঠেছিল টিএসসির পায়রা চত্বর।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top