বৃহঃস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

রমজানে চন্দ্র-সূর্যগ্রহণ, ইমাম মাহদির আগমনের সম্ভাব্য সংকেত?

ধর্ম ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২ মার্চ ২০২৬, ২০:২৮

সংগৃহীত

ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী, ইমাম মাহদির আগমনের কয়েকটি বিশেষ সংকেত রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হলো রমজান মাসে চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণের ঘটনা। হাদিসে বলা হয়েছে, যে বছর রমজানের শুরুতে সূর্যগ্রহণ এবং শেষে চন্দ্রগ্রহণ ঘটবে, সেই বছরই ইমাম মাহদির আবির্ভাব হবে।

বিভিন্ন ইসলামী গ্রন্থে এই নিদর্শনের উল্লেখ রয়েছে:

‘আল বুরহান ফি আলামাতিল মাহদি’ (পৃষ্ঠা ৩৮) – আল্লামা মুত্তাকি (রঃ) উদ্ধৃত করেছেন, যে বছর রমজানের শুরুতে সূর্যগ্রহণ এবং শেষের দিকে চন্দ্রগ্রহণ হবে, সেই বছরই ইমাম মাহদির আগমন হবে।‘আল কাওলুল মুখতাছার’ (পৃষ্ঠা ৫৩) – রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে বছর রমজানে দুটি গ্রহণ ঘটবে, সেই বছরই ইমাম মাহদির আগমন হবে।

‘সুনানে দারাকুতনি’ – ইমাম আলী বিন ওমর আল দারাকুতনি রচিত হাদিসে উল্লেখ আছে, রমজানে চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণ একত্র ঘটলে, সেটিই ইমাম মাহদির আগমনের নিদর্শন।‘মাকতুবাতে রাব্বানী’ (পত্র ৩৮০) – ইমাম মুজাদ্দেদী আলফেসানী (রহঃ) উল্লেখ করেছেন, রমজানের প্রথমে সূর্যগ্রহণ এবং ১৪ তারিখ চন্দ্রগ্রহণ ঘটলে, সেই বছরই ইমাম মাহদির আগমন।

‘মুখতাছার তাজকিয়াহ’ (পৃষ্ঠা ৪৪০) – ইমাম কুরতুবী (রঃ) বলেছেন, ইমাম মাহদির আগমনের পূর্বে রমজানে দুটি গ্রহণ ঘটবে।‘কিতাবুল ফিতান’ – নুয়াইম ইবনে হাম্মাদ (রঃ) সতর্ক করেছেন, রমজানে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হলে মানুষকে খাদ্য সংরক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হবে।

হাদিসগুলো থেকে বোঝা যায়, রমজানে এই মহাজাগতিক ঘটনা অত্যন্ত বিরল এবং তা বিশেষ নিদর্শন হিসেবে গণ্য।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top