কিশোরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১৯:১৭
কিশোরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা এবং উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। এরপর জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত সবাই গভীর শ্রদ্ধায় জাতির সূর্যসন্তান বীর শহীদদের স্মরণ করেন।
বক্তারা বলেন, লাখো শহীদের রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা কখনো ভোলার নয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের খালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার ডাকে সাড়া দিয়ে দেশের সর্বস্তরের জনগণ ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা।
শহীদদের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জাতির অন্তরে চিরকাল লালিত হবে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, তাদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
শহীদদের স্মরণে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পাশাপাশি শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক আসলাম মোল্লা, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান এবং পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা পুলিশের সদস্যবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সকাল ৮টায় কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। কুচকাওয়াজের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়। এরপর বেলুন উড়ানো এবং শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা অবমুক্ত করা হয়।
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই কুচকাওয়াজে দেশাত্মবোধ, শৃঙ্খলা ও ঐক্যের চিত্র ফুটে ওঠে।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।