সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলের স্বীকৃতি, তীব্র নিন্দা জানাল বাংলাদেশ
নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:১৫
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ‘সোমালিল্যান্ড’কে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সম্মিলিত অবস্থানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে ঢাকা।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের ২২তম বিশেষ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে এ অবস্থান তুলে ধরেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
ইসরায়েল কর্তৃক তথাকথিত ‘সোমালিল্যান্ড’-কে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং এর ফলে সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা করতে এ জরুরি অধিবেশন আহ্বান করা হয়।
অধিবেশনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখা, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য ও সংহতি রক্ষায় ওআইসির যে কোনো দৃঢ় উদ্যোগের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ একাত্ম।
তিনি ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইসরায়েল কর্তৃক তথাকথিত ‘সোমালিল্যান্ড’-এর স্বীকৃতির বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে ফেডারেল রিপাবলিক অব সোমালিয়ার সার্বভৌমত্বের প্রতি ওআইসির অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করার ওপর জোর দেন তিনি।
মো. তৌহিদ হোসেন আরও বলেন, ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। কোনো অবৈধ আলোচনা বা চুক্তি গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একতরফা সিদ্ধান্ত কিংবা জবরদস্তির পরিবর্তে ন্যায়বিচার, আন্তর্জাতিক আইন ও বহুপাক্ষিকতাবাদ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
এদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ অধিবেশনের আগে শনিবার সকালে ওআইসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় বিপুলসংখ্যক প্রতিনিধি অংশ নেন। সেখানে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি নিরবচ্ছিন্ন সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি ওআইসির প্রধান এজেন্ডা হিসেবে ফিলিস্তিন ইস্যুর গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
এনএফ৭১/এমএ
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।