বছর ঘুরে এলো মাহে রমজান
ধর্ম ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৬
বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরির পবিত্র মাহে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশে পবিত্র রমজান মাসের রোজা শুরু হচ্ছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এশার নামাজের পর ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা তারাবির নামাজ আদায় করবেন। আর ভোরে রোজা রাখার নিয়তে সেহরি খাবেন তারা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে রমজানের চাঁদ দেখার খবর পাওয়া গেছে। চাঁদ দেখার মধ্য দিয়ে শুরু হলো রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের পবিত্র মাস রমজান। রাসুল (সা.) চাঁদ দেখে রমজান শুরু এবং ঈদুল ফিতর পালন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। এ উপলক্ষে দেশের মসজিদগুলোতে তারাবির নামাজে মুসল্লিদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করবে।
রমজান মাস আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে অসীম রহমত ও বরকতের বার্তা নিয়ে আসে। এটি আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের এক অনন্য সুযোগ। পবিত্র কোরআনে রোজা সম্পর্কে বলা হয়েছে, “হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।”
রমজান মাসের অন্যতম প্রধান ইবাদত হলো রোজা। শরিয়তের ভাষায়, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, যৌনকর্ম এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.) কর্তৃক নিষিদ্ধ সব কাজ থেকে বিরত থাকার নামই রোজা।
এ মাসের শেষ দশ দিন ইতেকাফ করা সুন্নত। এই দশ দিনের মধ্যেই রয়েছে মহিমান্বিত রাত—লাইলাতুল কদর। অনেক আলেমের মতে ২৭ রমজানের রাত লাইলাতুল কদর হলেও, কারও মতে শেষ দশ দিনের যেকোনো বেজোড় রাতই শবে কদর হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে রাসুল (সা.) বলেছেন, “তোমরা রমজানের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করো।”
তাই ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯—এই রাতগুলোতে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আলেমরা।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।