মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

ক্রকস: কুমিরের মতো আরামদায়ক জুতা এখন বাংলাদেশে জনপ্রিয়

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৮

ছবি: সংগৃহীত

কুমিরের মতো জল ও স্থলে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারে এমন বৈশিষ্ট্যের জন্যই জন্ম নিয়েছে ‘ক্রকস’। নামের পেছনের গল্পও তাই – ক্রকসের অর্থ কুমির। রাবার দিয়ে তৈরি এই জুতা হালকা, টেকসই এবং পানিতে নষ্ট হয় না। দীর্ঘ সময় পরেও পায়ে ব্যথা করে না এবং পরিষ্কার করাও সহজ। মূলত চীন, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড থেকে আসে এই জুতা।

ক্রকস জুতা এখন ঢাকার বিভিন্ন বাজারে সহজলভ্য। বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, যমুনা ফিউচার পার্ক, গুলশান ডিসিসি মার্কেট, উত্তরার আলাউদ্দিন টাওয়ার, রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স ও নিগার প্লাজার মতো শপে বিভিন্ন মাপ ও স্টাইলের ক্রকস পাওয়া যায়। দোকান থেকে কিনলে দাম ৫০০ থেকে ১,৫৫০ টাকা পর্যন্ত।

চীনে উৎপাদিত বিভিন্ন ক্রকস অনলাইনে যেমন মিনিসোতে পাওয়া যায়, যার দাম ২,৯৯৯ টাকা থেকে শুরু। রাস্তার পাশের দোকান বা ভ্যানগুলোয় ৪০০-৫০০ টাকায় ক্রকস পাওয়া যায়। শিশুদের জন্যও আরামদায়ক ক্রকস পাওয়া যায়, যার দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। অনলাইন শপ যেমন ফোম, গ্রেসিয়া, ভাইব ওয়্যার বিডি ইত্যাদিতেও ক্রকস পাওয়া যায়, সাধারণত ১,০০০–১,৫৫০ টাকার মধ্যে।

ক্রকসকে আলাদা করে চেনা যায় এর চার্মস দিয়ে, যা পরিচিত ‘জিবিটজ’ নামে। ক্রকস ব্র্যান্ড নিজেই নানা ধরনের জিবিটজ তৈরি করে, যেখানে থাকে কার্টুন, বর্ণ, ফুল, খাবার বা মিনিমাল আইকনের নকশা। ব্যবহারকারী চাইলে নিজের পছন্দ, মুড বা পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে জুতা সাজাতে পারেন।

অনলাইনে জিবিটজ ১০টি সেটে ৩৫০ টাকা, আবার একটি করে কিনলে ৩৫–৬০ টাকায় পাওয়া যায়।

হালকা, আরামদায়ক এবং টেকসই হওয়ায় ক্রকস ভ্রমণপ্রিয়দেরও পছন্দ। কাদা, পানি, ধুলা বা দীর্ঘ সময় হাঁটাহাঁটির সব পরিস্থিতিতেই এটি ব্যবহারযোগ্য। সাশ্রয়ী দামের কারণে এটি ‘পৃথিবীর সবচেয়ে কুৎসিত জুতা’ থেকে এখন তরুণ প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় জুতার তালিকায় উঠে এসেছে।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top