চুলের যত্নে ডিমের গুরুত্ব
লাইফস্টাইল ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:১৯
ডিমকে দীর্ঘদিন ধরেই স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে ধরা হয়। সাধারণত আমরা ডিম সেদ্ধ বা ভাজি করে খাই, কিন্তু বিশ্বজুড়ে অ্যাথলেট, বডিবিল্ডার এবং পুষ্টিবিদদের মধ্যে এখন কাঁচা ডিম খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। সঠিকভাবে এবং মানসম্মত ডিম ব্যবহার করলে এটি স্বাস্থ্য ও পুষ্টির দিক থেকে বেশ উপকারী।
কাঁচা ডিম কেন বিশেষ?
রান্না করলে ডিমের কিছু সংবেদনশীল পুষ্টি উপাদান যেমন ভিটামিন এ, ডি এবং বি-১২ কমে যেতে পারে। কাঁচা ডিমে এই পুষ্টি উপাদানগুলো অক্ষুণ্ণ থাকে। এছাড়া এতে থাকা লুটেইন ও জিক্সানথিন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চোখের স্বাস্থ্যের জন্য কার্যকর।
কাঁচা ডিমের প্রধান উপকারিতা:
পেশি গঠন ও শক্তি বৃদ্ধি: প্রোটিন ও অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরের পেশি মেরামত ও গঠনে সাহায্য করে। জিম বা ভারী ব্যায়ামের পর অনেকে প্রোটিন শেকের সঙ্গে কাঁচা ডিম মিশিয়ে পান করেন।
মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি: কোলিন উপাদান মস্তিষ্কের কোষ সচল রাখতে ও স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সহায়তা করে।
চুল ও ত্বকের যত্ন: কুসুম প্রাকৃতিকভাবে ত্বক আর্দ্র রাখে এবং চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
সাবধানতা:
- কাঁচা ডিমে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সতর্ক থাকাটাই জরুরি:
- উন্নত মানের এবং সঠিকভাবে সংরক্ষিত (পাস্তুরিত) ডিম ব্যবহার করুন।
- খোসা ব্যবহার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
- শিশু, গর্ভবতী নারী ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা ব্যক্তিরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কাঁচা ডিম খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
সরাসরি খেতে অস্বস্তি হলে স্মুদি, মিল্কশেক বা হালকা গরম দুধের সঙ্গে কুসুম মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।