বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব: কোন দেশগুলোতে পাওয়া যায় সহজে?
লাইফস্টাইল ডেস্ক | প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫১
জন্মসূত্রে আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। তবে বিশ্বায়নের যুগে নিজ দেশের পাশাপাশি অন্য দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার স্বপ্ন অনেকের। এজন্য অনেকে বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিয়ে করে বৈধভাবে নাগরিকত্ব নেন। আবার বিদেশে পড়াশোনা বা কর্মসংস্থানের সূত্রেও কখনো কখনো প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়ে বিয়ে পর্যন্ত গড়ে ওঠে।
বিশ্বে কিছু দেশ রয়েছে, যেখানে স্থানীয় নাগরিককে বিয়ে করলে নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। চলুন জেনে নিই, কোন কোন দেশ তাদের নাগরিককে বিয়ে করে বৈধভাবে নাগরিকত্ব দেয়।
তুরস্ক:
বিয়ের পর তিন বছর একসঙ্গে থাকলেই নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। তুরস্কের নাগরিক হলে বিশ্বের ১১০টিরও বেশি দেশে ভিসা ফ্রি বা ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধাও পাওয়া যায়।
স্পেন:
স্প্যানিশ নাগরিককে বিয়ে করলে এক বছর একসঙ্গে বসবাসের পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। নাগরিকত্বের জন্য বিয়ের বৈধ সনদ ও একসঙ্গে বসবাসের প্রমাণ দিতে হয়।
আর্জেন্টিনা:
আর্জেন্টিনার নাগরিককে বিয়ে করলে দুই বছরের মধ্যে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। প্রমাণ হিসেবে লাগবে বৈধ বিয়ে, অপরাধমুক্ত থাকা এবং সাধারণ স্প্যানিশ ভাষার জ্ঞান।
মেক্সিকো:
একজন মেক্সিকান নাগরিককে বিয়ে করলে দুই বছরের বসবাসের পর নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। তবে প্রয়োজন স্প্যানিশ ভাষার মৌলিক দক্ষতা, বৈধ বিয়ের সনদ ও একসঙ্গে বসবাসের প্রমাণ।
সুইজারল্যান্ড:
সুইস নাগরিককে বিয়ে করলে তিন বছরের বিবাহিত থাকার পর পাঁচ বছরের বসবাসে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। দেশের বাইরে থাকলেও ছয় বছরের বিবাহিতকাল অতিক্রান্ত হলে আবেদন সম্ভব। নাগরিকত্বের জন্য সুইস ভাষা ও সংস্কৃতি জানা এবং অপরাধমুক্ত থাকা প্রমাণ দিতে হয়।
কেপ ভার্ড:
পশ্চিম আফ্রিকার এই দ্বীপরাষ্ট্রে নাগরিককে বিয়ে করলে অবিলম্বে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। অবশ্য বিয়েটি বৈধ হতে হবে।
সূত্র: গ্লোবাল সিটিজেন সলিউশনস, নোম্যাড ক্যাপিটালিস্ট
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।