শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

টানা ১৬ ঘণ্টা কর্মব্যস্ততায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৪

সংগৃহীত

ভোর হওয়ার আগেই যেন দায়িত্বের ভার কাঁধে তুলে নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আর গভীর রাতেও থামে না তার কর্মতৎপরতা। দেশের মানুষের কল্যাণে নিরলস পরিশ্রমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি, টানা প্রায় ১৬ ঘণ্টা অফিস করে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ৯টায় সচিবালয়ে দিনের কাজ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। নিজের দফতরে বসেই একের পর এক ফাইল পর্যালোচনা, বৈঠক এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যস্ত থাকেন তিনি। প্রতিটি কাজে ছিল তার গভীর মনোযোগ ও দৃঢ়তা—সময় যেন তার কাছে শুধু দায়িত্ব পালনের মাধ্যম, ক্লান্তির কোনো ছাপ নেই।

গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বিষয় নিয়ে কাজ করতে করতে বিকেল গড়িয়ে যায়। এরপর বিকেল সাড়ে ৩টায় তিনি যোগ দেন সংসদ অধিবেশনে। জাতীয় ইস্যু, নীতিনির্ধারণ এবং জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে রাত ৮টা পর্যন্ত, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় অংশগ্রহণ একজন দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনায়কের পরিচয় বহন করে।

দিনের কর্মসূচি এখানেই শেষ হয়নি। রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে শুরু হয় মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক। দেশের উন্নয়ন, সংকট মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দীর্ঘ সময় আলোচনা শেষে বৈঠক শেষ হয় রাত ১১টা ৩০ মিনিটের পর। এরপরও তিনি নিজ দফতরে কাজ চালিয়ে যান।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সাধারণত প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করলেও এদিন তা প্রায় ১৬ ঘণ্টায় পৌঁছায়।

তিনি আরও বলেন, এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টা কেবল একটি সংখ্যা নয়, বরং এটি দেশের মানুষের প্রতি এক গভীর বার্তা—যখন অনেকেই বিশ্রামে যান, তখনও একজন নেতা দেশের ভবিষ্যতের জন্য নিরলস কাজ করে যান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মনিষ্ঠা দেশের প্রতি অঙ্গীকার এবং দায়িত্ববোধের প্রতীক। এটি আবারও প্রমাণ করে, নেতৃত্ব মানে শুধু ক্ষমতায় থাকা নয়—বরং প্রতিটি মুহূর্তে জাতির দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার নামই প্রকৃত নেতৃত্ব।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top