বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২

স্বচ্ছ জলের মায়া ও প্লাস্টিকের কষ্টের মিশ্র অভিজ্ঞতা

ভ্রমণ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১১

সেন্ট মার্টিন: স্বচ্ছ জলের মায়া ও প্লাস্টিকের কষ্টের মিশ্র অভিজ্ঞতা । ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা থেকে দীর্ঘ সময় থাকার পর সেন্ট মার্টিনে পৌঁছে স্বাধীনভাবে ডাইভিং করার সুযোগ পাওয়া সাংবাদিক ও ডাইভমাস্টার শরীফ সারওয়ার জানান, দ্বীপের স্বচ্ছ পানি এবং সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য তাঁকে মুগ্ধ করেছে। গত ১৯ নভেম্বর ঢাকার ব্যস্ততা ত্যাগ করে সেন্ট মার্টিনের পূর্ব বিচে স্কুবা টেক বিডি নামে এক বন্ধু পরিচালিত স্কুবা সেন্টারে উঠে পৌঁছান তিনি।

শরীফ সারওয়ারের বরাত মতে, ২০ নভেম্বর থেকে প্রায় দুই মাসে দিনে–রাতে ২০–২৫ দিন সমুদ্রে ডাইভ করেছেন। তিনি জানান, পানির নিচে থাকা দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা নতুন কোনো সামুদ্রিক প্রাণীর সন্ধান না দিলেও কোরাল এবং ছোট মাছের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে ‘ব্রেন কোরাল’ দীর্ঘায়ু এবং সমুদ্র বাস্তুতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় মুগ্ধ হয়েছেন তিনি।

তবে স্বচ্ছতার মায়ার মধ্যে অদৃশ্য বিপদও চোখে পড়েছে। সমুদ্রের তলায় পরিত্যক্ত জাল এবং মাইক্রোপ্লাস্টিক কোরালের বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে। প্রবালগুলো শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ধীরে ধীরে সাদা হচ্ছে, যা ‘কোরাল ব্লিচিং’ নামে পরিচিত। সৈকতে মৃত কচ্ছপ, ছড়িয়ে থাকা প্লাস্টিক ও রিসোর্টের বর্জ্যও দৃশ্যমান হয়েছে।

শরীফ সারওয়ার বলেন, “সেন্ট মার্টিন আমার জন্য মুগ্ধতার সঙ্গে কষ্টও দিয়েছে। স্বচ্ছ জলে রঙিন জীবনের খুঁজে পাওয়া সৌন্দর্য, আবার বর্জ্য ও দূষণের কারণে কষ্টদায়ক চিত্রও চোখে পড়েছে।”

২০১২ সাল থেকে আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি করছেন এই সাংবাদিক, এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পর্যটনের ভারসাম্য বজায় রাখার গুরুত্বও তিনি পুনরায় উপস্থাপন করেছেন।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top