চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ল ২৭ হাজার টন ডিজেলবাহী জাহাজ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২৬, ১০:২২
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো ২৭ হাজার ২০৪ টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর জেটিতে ভিড়েছে ‘এমটি শিউ চি’ নামের একটি ট্যাংকার জাহাজ। সিঙ্গাপুর থেকে এই ডিজেল আমদানি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন।
জানা গেছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আরও চারটি ডিজেলবাহী ট্যাংকার দেশে পৌঁছাবে। এসব জাহাজে মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ২০৫ টন ডিজেল রয়েছে।
এর মধ্যে সিঙ্গাপুর থেকে আজ রাতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ‘লিয়ান হুয়ান হু’ নামের আরেকটি ডিজেলবাহী ট্যাংকারের। জাহাজটিতে প্রায় ৩০ হাজার টন ডিজেল রয়েছে।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ‘এসপিটি থেমিস’ নামের আরেকটি জাহাজের, এতে রয়েছে ৩০ হাজার ৪৮৪ টন ডিজেল। আগামী শনিবার বন্দরে ভিড়তে পারে ‘র্যাফেলস সামুরাই’ নামের ট্যাংকার। একই সময়ে আসবে ‘চ্যাং হ্যাং হং টু’ নামের আরেকটি ট্যাংকার। এই দুই জাহাজেও প্রায় ৩০ হাজার টন করে ডিজেল রয়েছে।
সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নয়টি দেশ থেকে মোট ২৩ লাখ ২৮ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে এসেছে প্রায় ৭৮ শতাংশ জ্বালানি তেল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ থেকে এ সময়ে ডিজেল আমদানি করা হয়নি।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও বাংকারিং কার্যক্রম নিয়ে এক সমন্বয় সভায় জানানো হয়, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও গতিশীল করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের চাহিদা সমন্বিতভাবে নিরূপণ করা হবে। পাশাপাশি জ্বালানিবাহী জাহাজকে বন্দরে বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভেড়ার সুবিধা দেওয়া হবে।
সভায় আরও জানানো হয়, বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও প্রয়োজনীয় সহায়তা আগের মতোই স্বাভাবিক রয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তাসহ বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে আগত জাহাজগুলোর অধিকাংশ জ্বালানি সরবরাহের উৎস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াকেন্দ্রিক হওয়ায় বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব এখানে তুলনামূলকভাবে কম বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এনএফ৭১/একে
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।