কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে হত্যাকাণ্ড:
আন্ডারওয়ার্ল্ড নেতা দিলীপের নির্দেশে শ্যুটার রহিমের অংশগ্রহণ নিশ্চিত
স্টাফ রিপোর্টার । ঢাকা | প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:২৩
রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলবাণিজ্য দখলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রবাসী সন্ত্রাসী বিনাশ দাদা বা দিলীপের নির্দেশে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী থেকে গ্রেফতার হওয়া শ্যুটার রহিম।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবি (গোয়েন্দা বিভাগ) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, কারওয়ান বাজার এলাকায় প্রকাশ্য ও গোপনে চাঁদা আদায়ের সঙ্গে জড়িত আট থেকে নয়টি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। চাঁদার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে দিলীপের নির্দেশে রহিম ও জিন্নাত হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেয়।
ডিবি প্রধান আরও জানান, “সিন্ডিকেটগুলো ভেঙে দিতে ডিবি কাজ করছে এবং শিগগিরই অভিযান শুরু হবে। গতকাল নরসিংদী থেকে রহিমকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।”
এর আগে রহিমের ভাই হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী বিল্লাল ও আব্দুল কাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যার দায় স্বীকার করে শ্যুটার জিন্নাত আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
মুছাব্বিরকে গত ৭ জানুয়ারি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের পাশের একটি গলিতে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরদিন তার স্ত্রী তেজগাঁও থানায় চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
১১ জানুয়ারি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জিন্নাত (২৪), আবদুল কাদির (২৮), মো. রিয়াজ (৩১) ও মো. বিলালকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। সর্বশেষ নরসিংদী থেকে কথিত শ্যুটার রহিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের চাঁদাবাজ হিসেবেই চিহ্নিত করা উচিত। তাদের কোনো রাজনৈতিক আদর্শ নেই, তারা চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানারের আশ্রয় নেয়।”
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।