বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

দুদকের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৫

সাংবাদিক আনিস আলমগীর ।  ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জামিন দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন।

আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি জানিয়েছেন, আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া দুটি মামলাতেই তিনি জামিন পেয়েছেন। ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

জানা গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন। পরে ২৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৮ জানুয়ারি আদালত তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে তার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ফলে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।

অন্যদিকে বৈধ উৎস থেকে তার মোট আয় পাওয়া গেছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টকশো ও পরামর্শ সেবা থেকে ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

হিসাব অনুযায়ী তার ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া গেছে। যা মোট সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ এবং এটিকে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আরেকটি মামলা করেন। ওই মামলায় ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পরবর্তীতে ৫ মার্চ ওই মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেন।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top