রবীন্দ্রনাথের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৭ মে ২০২৬, ২০:১৩
বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর–এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বিশ্বকবির অমর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বশান্তি, মানবতা ও কল্যাণবোধ ছিল রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীলতার মূল শক্তি। কবিতা, গান, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, নৃত্যনাট্য ও চিত্রকলায় তিনি মানবপ্রেম, প্রকৃতি ও শান্তির বার্তা তুলে ধরেছেন অসাধারণ শৈল্পিক দক্ষতায়। তাঁর সাহিত্য ও দর্শন আজও বাংলা সংস্কৃতি ও চিন্তার জগতকে সমৃদ্ধ করে চলেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তিবাদ ও মানবকল্যাণের চেতনা থেকে রবীন্দ্রনাথ আন্তর্জাতিকতার বাণী বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর গান মানুষের প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও জীবনের বাস্তব চিত্র রবীন্দ্রসাহিত্যে গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তাঁর বিখ্যাত গান আমার সোনার বাংলা আজ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
তিনি স্মরণ করেন, ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন এবং প্রথম এশীয় হিসেবে বিশ্বসাহিত্যের সর্বোচ্চ এই সম্মান লাভ করেন।
বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত, উগ্রবাদ ও মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদী দর্শন আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
শিক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শান্তিনিকেতন। তিনি পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছিলেন।
শেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, রবীন্দ্র-জন্মবার্ষিকীর সকল আয়োজন সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।