বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১

মিশরে আরেক ফেরাউনের সমাধি আবিষ্কার

Nasir Uddin | প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:২৩

ফাইল ছবি

মিশরে আরেক ফেরাউনের সমাধি আবিষ্কৃত হয়েছে। যা রাজা ফেরাউন দ্বিতীয় থুতমোসের সমাধি হিসেবে চিহ্নিত করেছে দেশটির একটি যৌথ মিশন। প্রায় এক শতাব্দী পর বিশ্বের বৃহত্তম উন্মুক্ত জাদুঘর হিসেবে খ্যাত মিসরের লুক্সরে এই রাজ সমাধি আবিষ্কৃত হলো। যা দেশটির প্রত্নতত্ত্ব গবেষণায় নতুন মাইলফলক বলে মনে করা হচ্ছে। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদন মতে, গত মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মিশরের পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় জানায়, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে নীল নদের পূর্ব তীরে রাজাদের উপত্যকা খ্যাত লাক্সরের কাছে ফেরাউন এক রাজকীয় সমাধি পাওয়া গেছে।

সমাধিটি ফেরাউন দ্বিতীয় থুতমোসের। ব্রিটেন ও মিশরের একটি যৌথ উদ্যোগে এটা আবিষ্কার করেছে। এটা মিশরে চলমান প্রত্নতত্ত্ব গবেষণায় একটা মাইলফলক। একশ বছরেরও বেশি সময় আগে ফেরাউন তুতেনখামুনের সমাধি পাওয়া গিয়েছিল।

ফেরাউন বা ফারাও মিশরের রাজাদের উপাধি। দ্বিতীয় থুতমোসকে মিশরের অষ্টাদশ রাজবংশের ফেরাউন বা রাজা বলে চিহ্ণিত করেছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা।

কিন্তু কিভাবে সমাধি চিহ্ণিত করা হলো সে ব্যাপারে বলা হয়েছে, সমাধির ওপর অ্যালাব্যাস্টার পাত্রে দ্বিতীয় থুতমোস ও তার স্ত্রী রানি হাতশেপসুতের নাম খোদাই দেখে প্রত্নতাত্ত্বিকরা সমাধির পরিচয় নিশ্চিত করতে সক্ষম হন।

মিসরের রাজবংশে শাসনক্ষমতা পাওয়া স্বল্পসংখ্যক নারীর মধ্যে একজন ছিলেন রানি হাতশেপসুত।
সমাধিস্থলে আসবাবপত্রের টুকরো, নীল শিলালিপি, হলুদ তারা এবং ধর্মীয় লেখাসহ মর্টারের টুকরোও পাওয়া গেছে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, রাজার মৃত্যুর পরপরই বন্যার কারণে সমাধিটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সমাধির বেশির ভাগ সামগ্রী স্থানান্তরিত হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে।

মিসরের পর্যটন ও পুরাতত্ত্ব মন্ত্রী শেরিফ ফাতি একটি যৌথ মিসরীয়-ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক মিশনের চলমান এই খননের প্রশংসা করেছেন।

মিসরের সুপ্রিম কাউন্সিল অব অ্যান্টিকুইটিজের (এসসিএ) সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ ইসমাইল খালেদের মতে, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর মধ্যে একটি।’

 




পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top