ঈদকে ঘিরে নতুন নোটের চাহিদা, বাইরে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২৬, ১৭:০৭
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নতুন টাকার চাহিদা বাড়লেও ব্যাংকগুলোতে সহজে নতুন নোট পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে বাইরে বেশি দামে নতুন নোট কিনছেন। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত ও অস্থায়ী দোকানে নতুন নোটের বেচাকেনা এখন বেশ জমজমাট।
ক্রেতাদের অভিযোগ, ব্যাংকে নতুন নোট না পাওয়া গেলেও বাইরে একই নোট কিনতে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। বিশেষ করে ঈদ সালামি, জাকাত ও ফিতরা দেওয়ার জন্য অনেকে নতুন নোট সংগ্রহ করতে চান। এ সুযোগে কিছু বিক্রেতা বাড়তি দামে নতুন নোট বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ১০ টাকার এক বান্ডিল (১০০টি নোট) যার প্রকৃত মূল্য এক হাজার টাকা, সেটি বাইরে বিক্রি হচ্ছে প্রায় এক হাজার ৩৫০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি বান্ডিলে ক্রেতাদের অতিরিক্ত ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। একইভাবে ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার নোটের বান্ডিলেও ২০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে নতুন নোটের সরবরাহ কম থাকায় তাদেরও বেশি দামে সংগ্রহ করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে সীমিত পরিমাণে নতুন নোট সংগ্রহ করা হয়, যা কয়েক হাত ঘুরে বাজারে আসে। এ কারণেই দাম কিছুটা বেশি রাখতে হচ্ছে বলে দাবি তাদের।
অন্যদিকে ক্রেতারা জানান, ব্যাংক থেকে নতুন নোট নিতে গেলে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা পাওয়া যায় না। ফলে সময় বাঁচাতে ও ঝামেলা এড়াতে অনেকেই বাইরে থেকে নতুন নোট কিনছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নোট ছাপানোর কাগজ ও কালি সংকটের কারণে নতুন নোট ছাপানো ও সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। তাই বাজারে নতুন নোট স্বাভাবিকভাবে সরবরাহ হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে।
প্রতি বছর ঈদকে কেন্দ্র করে নতুন নোটের চাহিদা বেড়ে যায়। বিশেষ করে ১০, ২০ ও ৫০ টাকার নোটের চাহিদা বেশি থাকে। কারণ এসব নোট সাধারণত ঈদ সালামি, জাকাত ও ফিতরা বিতরণে বেশি ব্যবহার করা হয়। ফলে ঈদের আগমুহূর্তে নতুন নোটের বাজারও জমে ওঠে।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।