“তৌকীর আমার জীবনের প্রথম ভিলেন”

বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশিত: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৪৩

সংগৃহীত

বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত তার জামাতা তৌকীর আহমেদ-কে ঘিরে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন। রবিবার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি-র জাতীয় নাট্যশালায় আয়োজিত ‘ছয় দশক পেরিয়ে তৌকীর আহমেদ’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “তৌকীর আমাকে সবচেয়ে বেশি কাঁদিয়েছে।”

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবুল হায়াত জানান, যেদিন তৌকীর তার মেয়ে বিপাশা হায়াত-কে বিয়ে করে নিয়ে যান, সেদিনই তিনি জীবনের সবচেয়ে বেশি কেঁদেছিলেন। “আমার দুই মেয়ে, দুই মেয়ের বিয়েতেই কেঁদেছি। সেই হিসেবে তৌকীর আমার জীবনের প্রথম ভিলেন,”—মজার ছলে বলেন তিনি। তবে এই কান্নার মধ্যেও ছিল গভীর আনন্দ ও তৃপ্তি।

তৌকীর আহমেদের ব্যক্তিত্ব ও জীবনযাপন নিয়ে প্রশংসা করে আবুল হায়াত বলেন, তিনি অত্যন্ত গোছানো ও হিসেবি মানুষ। একজন আদর্শ সৃজনশীল মানুষের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, প্রথাগত শিক্ষার বাইরেও যাদের জ্ঞান ও বইপড়ার জগৎ বিস্তৃত, তারাই প্রকৃত গুণী। আর এই গুণেই তৌকীর তার মন জয় করেছেন।

তৌকীরের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “ওর সঙ্গে এক ঘণ্টা কথা বললেই মনে হয় অনেক কিছু শিখলাম।” একই সঙ্গে মেয়ে বিপাশা হায়াতের বইপ্রেমের কথাও উল্লেখ করেন, যিনি অল্প বয়সেই কোরআন, বেদ ও বাইবেলের মতো ধর্মগ্রন্থ পড়া শেষ করেছিলেন।

পারিবারিক সম্পর্ক নিয়েও তৌকীরের প্রশংসা করেন আবুল হায়াত। তিনি জানান, তৌকীর নিজের মা-ভাইবোনদের পাশাপাশি শ্বশুর-শাশুড়িকেও সমান শ্রদ্ধা করেন। এমনকি সন্তানদের লালন-পালনেও তার যত্নকে ‘মায়ের মতো’ বলে অভিহিত করেন তিনি।

বর্তমানে তৌকীর আহমেদ প্রবাসে থাকলেও তার সৃজনশীল কাজের ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক—এমনটাই প্রত্যাশা করেন আবুল হায়াত। অনুষ্ঠানের শেষ দিকে তিনি বলেন, “তৌকীর, তুমি আমেরিকায় থাকো বা বাংলাদেশে—এভাবেই থেকো, আর কাজ করে যাও।”

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top