ইফতারে কোন খাবার স্বাস্থ্যকর: খাওয়ার সময় কোনটা বেছে নেবেন
লাইফস্টাইল ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪:০৫
পবিত্র মাহে রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার শুধু ক্ষুধা নিবারণের বিষয় নয়; এটি শরীর ও মনের ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সচেতনভাবে পুষ্টিকর, হালকা ও প্রাকৃতিক খাবার বেছে নিলে রোজার ক্লান্তি কমে, শক্তি ফিরে আসে এবং সুস্থ থাকা সহজ হয়।
খেজুর: ইফতারের শুরুতে খেজুর খাওয়া উত্তম। খেজুরে প্রাকৃতিক শর্করা (গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ), আঁশ, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এটি দ্রুত শক্তি জোগায় এবং রক্তে শর্করার ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। পানি: খেজুর খাওয়ার সঙ্গে এক গ্লাস স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করলে শরীর দ্রুত হাইড্রেটেড হয়। বরফ ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলা ভালো। ফল: মৌসুমি ফল যেমন তরমুজ, পেঁপে, আপেল, কলা, কমলা—প্রাকৃতিক চিনি ও আঁশের উৎস। ফলে ভিটামিন, খনিজ ও পানি থাকে, যা হজম সহজ করে। প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার: ছোলা, মুগডাল স্যুপ, সেদ্ধ ডিম, অল্প তেলে তৈরি চিকেন বা মাছ। এগুলো দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগায় এবং শরীরের কোষ পুনর্গঠনে সহায়ক। স্যুপ ও হালকা খাবার: হজম সহজ করতে একটি হালকা স্যুপ রাখা উচিত। ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত মিষ্টি: পেঁয়াজু, বেগুনি, চপ, জিলাপি—সীমিত পরিমাণে। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও চিনি শরীরে অপ্রয়োজনীয় ক্যালোরি যোগ করে এবং হজমের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। ২টি খেজুর, এক গ্লাস লেবু পানি বা ডাবের পানি, এক বাটি মৌসুমি ফল, অল্প পরিমাণ ছোলা বা প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার, একটি হালকা স্যুপ সীমিত পরিমাণ ভাজাপোড়া
এইভাবে খেলে শরীর ধীরে ধীরে শক্তি ফিরে পায় এবং হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।