নতুন সরকারের স্পিকার হতে পারেন ড. আবদুল মঈন খান
Mithu Murad | প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকার গঠনের পাশাপাশি সংসদের গুরুত্বপূর্ণ পদ বিশেষ করে স্পিকারের দায়িত্ব কে পাবেন, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
দলীয় ও রাজনৈতিক একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান-কে নতুন সরকারের স্পিকার হিসেবে দেখতে চাইছেন দলের প্রভাবশালী নেতারা।
নির্বাচনের পর সংসদ গঠন ও নেতৃত্ব নির্ধারণকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। শুধু প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা নয়, সংসদের কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য স্পিকারের পদটিকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্র জানায়, সরকার গঠনের প্রাক্কালে অভ্যন্তরীণ আলোচনায় স্পিকার পদে ড. আবদুল মঈন খানের নাম বেশ জোরালোভাবেই উঠে এসেছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও সাংগঠনিক ভূমিকা তাকে এই পদের জন্য অনুকূল প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরছে।
ড. মঈন খান বিএনপির বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আবদুল মোমেন খানের ছেলে। বাবার হাত ধরেই রাজনীতিতে তার পথচলা শুরু।
তিনি খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় তথ্যমন্ত্রী, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী (১৯৯৩–৯৬) এবং বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী (২০০২–০৬) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষাগত দিক থেকেও তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্স থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, স্পিকার শুধু সংসদের কার্যক্রম পরিচালনাই করেন না; বরং বিরোধী দলের সঙ্গে সমন্বয়, সাংবিধানিক ভারসাম্য রক্ষা এবং সংসদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দলের এক উচ্চপর্যায়ের নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা সরকার গঠনের পাশাপাশি সংসদের কার্যকারিতা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে চাই। স্পিকারের জন্য এমন একজন নেতার প্রয়োজন, যিনি দলীয় নীতি ও সাংবিধানিক দায়িত্ব দুটোই সমানভাবে রক্ষা করতে পারবেন।
দলটির অভ্যন্তরীণ খসড়া আলোচনায় বলা হচ্ছে, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সংসদের কার্যক্রম সুসংগঠিতভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে একজন অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য নেতাকেই স্পিকারের দায়িত্ব দেওয়া হবে। এই বিবেচনায় ড. আবদুল মঈন খানের নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছে।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।