স্পা সেন্টারে নারীকে ৬ জন মিলে ধর্ষণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৮
কেরালার থিরুভাল্লায় একটি আয়ুর্বেদিক স্পায় হামলা, চাঁদা দাবি এবং এক নারী কর্মীর ওপর সংঘটিত দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ছয় সদস্যের একটি চক্রের মধ্যে দুজনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্যমতে, অভিযুক্তরা স্পাটিতে জোরপূর্বক ঢুকে চাঁদা দাবি করে এবং ভয় দেখিয়ে নারী কর্মীর ওপর নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে তারা নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে। স্পার মালিকের দাবি, এটি প্রতিদ্বন্দ্বী এক ব্যবসায়ীর প্ররোচনায় ঘটানো হয়েছে। ভুক্তভোগী ও স্পা মালিক উভয়ের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি স্পাটিতে কোনো অবৈধ কার্যক্রম চলছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পাঠানামথিট্টা জেলার পুলিশ সুপার আর আনন্দ জানান, ভুক্তভোগীকে জেলা লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির মাধ্যমে সব ধরনের আইনি সহায়তা ও কাউন্সেলিং দেওয়া হচ্ছে। প্রধান আসামি সুবিন আলেকজান্ডারের বিরুদ্ধে কেরালা অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করে প্রতিরোধমূলক আটকাদেশ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী ও স্পা মালিক প্রথমে অভিযোগ জানাতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। পরে এক স্পেশাল ব্রাঞ্চ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে এবং মামলা নথিভুক্ত করা হয়। ঘটনার সময় ভুক্তভোগীর এক সহকর্মীর আচরণ নিয়েও তদন্ত চলছে।
ভুক্তভোগীর জবানবন্দি অনুযায়ী, অভিযুক্তরা স্পা মালিকের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেয় এবং ইতিমধ্যে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। দাবি পূরণ না হলে ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। মামলার বাকি চার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তা তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।