সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন ১৩ দেশের সরকারপ্রধান
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫০
বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জনের মাধ্যমে এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনের পরপরই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং এরই মধ্যে নির্ধারিত হয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের তারিখ।
আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রীসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ঐতিহাসিক এ দিনটিকে ঘিরে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে গঠিতব্য নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য চীন, ভারত ও পাকিস্তানসহ মোট ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, আমন্ত্রিত দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে—
চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।
সূত্র আরও জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই এই দেশগুলোর সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে নেওয়া হয়েছে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠান না করে, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে।
জানা গেছে, অনুষ্ঠানকে ঘিরে নিরাপত্তা, প্রটোকল ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। তাদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় এবং সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার। একই সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।